Menu
Thumbnail

এখন রাত তিনটা-তেইশ | পর্ব-৩

Profile Picture

Anika Tahaseen

লিপিকার
  • ক্রিয়েটিভ রাইটিং
  • Aug 09, 2021
  • 138
  • 1

 

 

এখন রাত তিনটা-তেইশ 

পর্ব-৩

সকাল দশ টায় ঘুম ভাঙ্গলো, মাথাটা পাহাড়ের মতো ভারি মনে হচ্ছে। সত্যি অজ্ঞান হয়েছি কিনা মনে পড়ছে না। হুট করে মন মেজাজ কেমন জানি কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে গেল। আজকে মনটা ভালো লাগছে না। তবে অফিসে তো যেতেই হবে। 

জাহানারা - কিরে, নাস্তা করবি না!? 
আয়েশা - না আম্মু দেরি হয়ে যাবে। 
জাহানারা - দাঁড়া নাস্তা প্যাক করে দেই৷ 
আয়েশা - আচ্ছা দাও! 

আজকে জ্যাম কম, কত যে ভালো লাগে জ্যাম কমের দিনে বাসের জানালার পাশের সিট টাতে বসতে। সো সো করে বাস ছুটে যাচ্ছে আর একটা মিষ্টি বাতাস মুখ ছুঁয়ে যাচ্ছে৷ আমার মনে হতে থাকলো মানুষের মন বড়ই অদ্ভুত রসায়ন-ল্যাব, নানা ধরণের বিক্রিয়া চলতেই থাকে। মনটা একি মূর্হূতে খারাপও বোধ করছে আবার ভালোও। 

আর সময়!?  সময় রঙ বদলাতেই থাকে আজ আমার সাথে তো কাল অন্য কারো সাথে, নন কমিটেড বয়ফ্রেন্ডের মতো।

বাসের সাথে সাথে জানালা দিয়ে আকাশটাও ছুটছে, এমন অবস্থাতেই মানুষের মনে তরল হয়ে আসে। ঠিক তিন বছর আগে কলেজে যাবার সময় গুলোও এমনই ছিল, কতটা বাজে কেটেছে দিন গুলো মনে করতে ইচ্ছা হয় না।

অফিসে ডুকরা আগেই পিছন থেকে ডাক, আর কে হবে!? 

আয়েশা - বলুন! 
জায়েদ- এত লেইট কেন!? হুম?
আয়েশা - ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়েছে তাই। 
জায়েদ - ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়েছে মানে!? জমিদার নাকি!?
আয়েশা - আর কিছু বলবেন!?
জায়েদ - গেইট আউট!  তোমার মতো ইম্পলয়ারের অফিসে না আসলেও হবে৷ 

আমি এই ডায়লগ এই নিয়ে পঞ্চম বা শুনছি আমার তিন মাসের চাকরি জীবনে এবং একি ব্যক্তির মুখে, বেশি বিচলিত হচ্ছি না কারণ এ মুহূর্তে আমি কি করবো অফিসের সবাই তা এত দিনে জেনেই গেছে।

চলবে......

রিপোর্ট

সাম্প্রতিক মন্তব্য

কোনও মন্তব্য নেই!

মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!